মুক্তির আগেই গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লেখাল দক্ষিণী তারকা আল্লু অর্জুন ও নির্মাতা অ্যাটলির বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘রাকা’। সিনেমাটি এখনো প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়নি। এর আগেই প্রযুক্তির অভিনব ব্যবহারের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে নতুন রেকর্ড গড়েছে সিনেমাটি।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে জানা যায়, সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ‘রাকা’র প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সান পিকচার্স সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ তথ্য জানায়। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ‘মোস্ট পিপল মোশন-ক্যাপচারড ইন রিয়েল-টাইম’ বিভাগে নতুন গিনেস রেকর্ড গড়েছে সিনেমাটি।
রেকর্ডটি তৈরির পেছনে রয়েছে সিনেমাটির বিশেষ প্রযুক্তিগত আয়োজন। ‘রাকা’র জন্য একসঙ্গে ৩৭ জন পারফর্মারের রিয়েল-টাইম মোশন ক্যাপচার করা হয়েছে। চলচ্চিত্র নির্মাণে প্রযুক্তির এই অভিনব প্রয়োগের স্বীকৃতিই পেয়েছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস।
সান পিকচার্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এ অর্জন ভারতীয় সিনেমাকে বিশ্বমঞ্চে আরও এগিয়ে নেওয়ার পথে গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক। রেকর্ডের স্বীকৃতি হিসেবে আল্লু অর্জুন ও অ্যাটলির হাতে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের সনদও তুলে দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, অ্যাটলির জন্মদিনেই আসে এই বিশ্বরেকর্ডের ঘোষণা। পরিচালককে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের একটি সাদা-কালো ছবি প্রকাশ করেন আল্লু অর্জুন। ছবিতে দুজনকেই হাস্যোজ্জ্বল দেখা যায়।
অ্যাটলির সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে আল্লু অর্জুন বলেন, এমন দূরদর্শী ও দক্ষ পরিচালকের সঙ্গে কাজ করতে পেরে তিনি গর্বিত। ভবিষ্যতে তার সঙ্গে আরও ‘জাদু’ তৈরির অপেক্ষায় আছেন বলেও জানান অভিনেতা।
এর আগে আল্লু অর্জুনের ৪৪তম জন্মদিনে প্রকাশ করা হয় ‘রাকা’র প্রথম ঝলক। সেখানে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক অবতারে দেখা যায় অভিনেতাকে। টাক মাথা, রুক্ষ চেহারা এবং মুখের একাংশে নেকড়ের থাবার মতো নকশা সব মিলিয়ে তার লুকে ফুটে ওঠে আদিম ও যোদ্ধাসুলভ আবহ।
সিনেমাটির ঘোষণার সময়ই নির্মাতারা জানিয়েছিলেন, ‘রাকা’র ভিএফএক্স ও মোশন ক্যাপচারের কাজে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞ প্রযুক্তিবিদদের যুক্ত করা হয়েছে। সিনেমাটির ভিএফএক্স দলের সঙ্গে আছেন ‘আয়রন ম্যান ২’ ও ‘ট্রান্সফরমার্স: রাইজ অব দ্য বিস্টস’ এর মতো সিনেমায় কাজ করা ভিএফএক্স সুপারভাইজার জেমস ম্যাডিগান। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক পর্যায়ের আরও একাধিক প্রযুক্তিবিদ যুক্ত রয়েছেন উচ্চাভিলাষী এই প্রকল্পে।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে জানা যায়, সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ‘রাকা’র প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সান পিকচার্স সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ তথ্য জানায়। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ‘মোস্ট পিপল মোশন-ক্যাপচারড ইন রিয়েল-টাইম’ বিভাগে নতুন গিনেস রেকর্ড গড়েছে সিনেমাটি।
রেকর্ডটি তৈরির পেছনে রয়েছে সিনেমাটির বিশেষ প্রযুক্তিগত আয়োজন। ‘রাকা’র জন্য একসঙ্গে ৩৭ জন পারফর্মারের রিয়েল-টাইম মোশন ক্যাপচার করা হয়েছে। চলচ্চিত্র নির্মাণে প্রযুক্তির এই অভিনব প্রয়োগের স্বীকৃতিই পেয়েছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস।
সান পিকচার্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এ অর্জন ভারতীয় সিনেমাকে বিশ্বমঞ্চে আরও এগিয়ে নেওয়ার পথে গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক। রেকর্ডের স্বীকৃতি হিসেবে আল্লু অর্জুন ও অ্যাটলির হাতে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের সনদও তুলে দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, অ্যাটলির জন্মদিনেই আসে এই বিশ্বরেকর্ডের ঘোষণা। পরিচালককে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের একটি সাদা-কালো ছবি প্রকাশ করেন আল্লু অর্জুন। ছবিতে দুজনকেই হাস্যোজ্জ্বল দেখা যায়।
অ্যাটলির সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে আল্লু অর্জুন বলেন, এমন দূরদর্শী ও দক্ষ পরিচালকের সঙ্গে কাজ করতে পেরে তিনি গর্বিত। ভবিষ্যতে তার সঙ্গে আরও ‘জাদু’ তৈরির অপেক্ষায় আছেন বলেও জানান অভিনেতা।
এর আগে আল্লু অর্জুনের ৪৪তম জন্মদিনে প্রকাশ করা হয় ‘রাকা’র প্রথম ঝলক। সেখানে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক অবতারে দেখা যায় অভিনেতাকে। টাক মাথা, রুক্ষ চেহারা এবং মুখের একাংশে নেকড়ের থাবার মতো নকশা সব মিলিয়ে তার লুকে ফুটে ওঠে আদিম ও যোদ্ধাসুলভ আবহ।
সিনেমাটির ঘোষণার সময়ই নির্মাতারা জানিয়েছিলেন, ‘রাকা’র ভিএফএক্স ও মোশন ক্যাপচারের কাজে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞ প্রযুক্তিবিদদের যুক্ত করা হয়েছে। সিনেমাটির ভিএফএক্স দলের সঙ্গে আছেন ‘আয়রন ম্যান ২’ ও ‘ট্রান্সফরমার্স: রাইজ অব দ্য বিস্টস’ এর মতো সিনেমায় কাজ করা ভিএফএক্স সুপারভাইজার জেমস ম্যাডিগান। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক পর্যায়ের আরও একাধিক প্রযুক্তিবিদ যুক্ত রয়েছেন উচ্চাভিলাষী এই প্রকল্পে।
বিনোদন ডেস্ক